West Bengal Recognized Un-Aided Madrasa Teachers Association

 

নিশিকান্ত ভূঞ্যাঃ-   সামনে 2021 এর বিধানসভার নির্বাচন। এই নিবার্চনে জয়লাভ করা তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে কঠিন হবে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেন। কারন এই মুহূর্তে রাজ্যের বিভিন্ন স্তরের মানুষজন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি বীতশ্রদ্ধ। করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্যের অথর্নীতি প্রায় তলানিতে ঠেকেছে। নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রায় বন্ধ রয়েছে।

এমতাবস্থায় ওয়েস্টবেঙ্গল রেকগনাইজ আন এডেড মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, বর্তমান সরকার গত 9 বছরে সংখ্যালঘু উন্নয়ন কতটা করেছে তার পরিসংখ্যান মাইক্রোস্কোপেও দেখা যাবে না। তবে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের উন্নয়ন করতে গেলে আগে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটাতে হয়। কিন্তু বর্তমান সরকারের আমলে নতুন করে একটি মাদ্রাসাও গঠিত হয়নি। উন্নয়নের নামে ভোট ব্যাংকের দিকে তাকিয়ে 235 আন এডেড মাদ্রাসার অনুমোদন দিলেও সেগুলোকে অন্ধকারে ডুবিয়ে রেখেছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী। অথচ মাদ্রাসা শিক্ষার পূর্ণমন্ত্রী মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী নিজেই । সব জেনেও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী দীর্ঘ নয় বছর মাদ্রাসাগুলিকে তাদের সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার অধিকার মিড-ডে-মিল পোশাক অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছেন ।

Advertisement

ভাবতে অবাক লাগে যখন যখন পিছিয়ে পড়া সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষার আলোকে আসতে চাইছে তখন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তাদের ভবিষ্যতকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। সংখ্যালঘু প্রীতির এই কি নমুনা? অপরদিকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দীর্ঘ নয় বছর ন্যূনতম সাম্মানিক টুকু দেন না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী জানেন মাদ্রাসার শিক্ষকরা পরিবারসহ চরম আর্থিক দুর্দশা ভোগ করছে । হয়তো মুখ্যমন্ত্রীর এই বঞ্চনার জন্য মাদ্রাসা গুলি বন্ধ হয়ে যেতে পারে তা সত্ত্বেও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী নিরব ।

দুঃখের বিষয় মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সহ রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রীর দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করলে এ বিষয়ে কেউ কর্ণপাত করেননি। অবস্থান অনশন কর্মসূচি করলে সুপরিকল্পিতভাবে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনশন বন্ধ করে দিয়েছে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একটাই প্রশ্ন এইভাবে মাদ্রাসা গুলিকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়ে সংখ্যালঘু উন্নয়ন করা যায় যায়না । সংখ্যালঘু উন্নয়ন করতে গেলে এই সকল মাদ্রাসা গুলিকে শিক্ষকদের সাম্মানিক সহ ছাত্র-ছাত্রীদের সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা দেওয়া প্রয়োজন এবং পিছিয়ে পড়া সংখ্যালঘু ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা প্রয়োজন।

এ প্রসঙ্গে ওয়েস্টবেঙ্গল রেকগনাইজ আন এডেড মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি জাভেদ মিয়াঁদাদ বলেন,” মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নের জন্য আমরা একাধিকবার আন্দোলন করেছি। আবার ও বৃহত্তর আন্দোলন করে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নতি ও আন এডেড মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন আদায় করতে হবে। এই আন্দোলন হবে মাদ্রাসা অস্তিত্ব রক্ষার আন্দোলন।”

সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক পলাশবাবু বলেন, “ছাত্র-ছাত্রীদের সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধা ও শিক্ষকদের বেতনের দাবিতে খুব শীঘ্রই নবান্ন অভিযান করা হবে। আর এই নবান্ন অভিযান সংখ্যালঘু মাদ্রাসা শিক্ষক আন্দোলনের অন্যমাত্রা দেবে।”

 

Advertisement

সকল খবর সবার আগে ফেসবুকে ফ্রী পেতে চাইলে আমাদের পেজ লাইক করুন। Click Here..

 

নবান্ন অভিযানের হুমকি ওয়েষ্ট বেঙ্গল রিকগনাইজ্ড আন-এডেড মাদ্রাসা টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে??? তাদের দাবীতে অনড়???

Leave a Reply

Your email address will not be published.