WB Forest Department

 

আজ ভারতের 74 তম স্বাধীনতা দিবস এর প্রাক্কালে পশ্চিমবঙ্গের বেকারদের অবস্থা ( The situation of the unemployed in West Bengal ) কোথায় গিয়েছে তা বোঝা যায় চুক্তিভিত্তিক বন সহায়ক পদে আবেদনকারীদের যোগ্যতা দেখেই। কিছুদিন পূর্বে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তিভিত্তিক বন সহায়ক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। যেখানে শিক্ষাগত যোগ্যতার মাপকাঠি ছিল অষ্টম শ্রেণী পাস। কিন্তু এই হাতি তাড়ানো ও বন পাহারা দেওয়ার পদে আবেদন করেছেন M.A, M.Sc, M.Com, NET, SET Pass ও P.hd ডিগ্রি প্রাপকের মতো বহু উচ্চশিক্ষিতরা।

WB Forest Department

Advertisement

আবেদন করবেন না বা কেন? দীর্ঘদিন ধরে আপার প্রাইমারি নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ। কলকাতা হাইকোর্টে মামলা চলছে। তাছাড়া নেট সেট পাস এবং পিএইচডি প্রাপ্ত যোগ্যতাসম্পন্ন চাকরিপ্রার্থীদের বঞ্চিত করে মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কলেজের অতিথি শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ করেছেন। মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই রকম তুঘলকি সিদ্ধান্তের জন্য M.A, M.Sc, M.Com, NET, SET Pass ও P.hd ডিগ্রি প্রাপকের মতো যোগ্যতাসম্পন্ন চাকরিপ্রার্থীরা বাধ্য হয়ে তারা এখন হাতি তাড়ানোর কাজেও আবেদন করেছেন।

তাহলে এখানেই প্রশ্ন উঠছে মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার দাবি তুলে বলেন বেকারত্বের সংখ্যা কমছে। যেখানে হাতি তাড়ানোর কাজেও M.A, M.Sc, M.Com, NET, SET Pass ও P.hd ডিগ্রি প্রাপকের মতো উচ্চ শিক্ষিত বেকাররা আবেদন করছেন। বিরোধীরা স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন তুলেছেন যে, রাজ্যে বেকারত্ব কোন জায়গায় দঁড়িয়েছে তা বোঝা যাচ্ছে। বিরোধীরা অভিযোগ করেন যে, মাননীয়া মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সরকার পুরোপুরি ভাবে ব্যর্থ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, রাজ্যে ২ হাজার বন সহায়ক পদে শূন্য পদ ছিল। প্রায় 20 লক্ষ আবেদনপত্র জমা পড়েছে। সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে ইন্টারভিউর মাধ্যমে। কিভাবে সামলাবেন আধিকারিকরা তা ভেবই কুল কিনারা পাচ্ছেন না।

পুরুলিয়ার ডিএফও রামপ্রসাদ বাদানা বলেন, বুধবার পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে। তাই প্রকৃত সংখ্যা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে যা খবর পেয়েছি তাতে পুরুলিয়া জেলাতে লক্ষাধীক আবেদন জমা পড়েছে এবং উচ্চ শিক্ষিত যুবক আবেদন করেছেন।

নাম বলতে অনিচ্ছুক এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, যেভাবে বেকার যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খেলছেন। তাতে করে হাতি তাড়ানোর কাজেও M.A, M.Sc, M.Com, NET, SET Pass ও P.hd ডিগ্রি প্রাপকের মতো উচ্চশিক্ষিত যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরা আবেদন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

Advertisement

যাইহোক শেষ অব্দি পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের অবস্থা কোন জায়গায় গিয়ে দাঁড়াবে তা বোঝা যাচ্ছে। যেখানে হাতি তাড়ানোর জন্য M.A, M.Sc, M.Com, NET, SET Pass ও P.hd ডিগ্রি প্রাপকদের আবেদন করতে হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্ব নিয়ে বিরোধী দলগুলি বিভিন্ন সময়ে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কঠোর সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছে।

যাই হোক মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উচ্চ শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের জন্য কি কি পদক্ষেপ নেন। সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ উচ্চ শিক্ষিত বেকাররা। সামনে 2021 এর বিধানসভা নির্বাচন। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেন যে, এই 2021 এর বিধানসভা কে লক্ষ্য রেখে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের উচ্চ শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের মন পেতে বিপুল পরিমাণ সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক নিয়োগ করবে।

 

আরও পড়ুন

নারায়নগড়ে ভূমি আধিকারিককে তৃণমূল নেতার হুমকি? ভুয়ো রেকর্ড তৈরির অভিযোগ ?

Leave a Reply

Your email address will not be published.